রাজনীতি

শেরপুরে যুবলীগ পদপ্রত্যাশী সোহাগের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে চাঞ্চল্য

শেরপুরে যুবলীগ পদপ্রত্যাশী সোহাগের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে চাঞ্চল্য

শেরপুরে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও অনিয়মের অভিযোগ: মোজাহিদুল ইসলাম ওরফে সোহাগকে ঘিরে প্রশ্ন

শেরপুর জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে মোজাহিদুল ইসলাম ওরফে সোহাগকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ ও আলোচনা রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে প্রথমে উপ-পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক এবং পরবর্তীতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে তিনি রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে মাদক ব্যবসা, অর্থনৈতিক অনিয়মসহ বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং অবৈধভাবে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছেন। এসব অভিযোগের সত্যতা অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

এছাড়া তাঁর পারিবারিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। তাঁর পিতা মোহাম্মদ নূরুল ইসলামকে জামায়াতে ইসলামীর অর্থদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, এ তথ্যেরও স্বাধীনভাবে যাচাই প্রয়োজন। তাঁর সোহদর ভাই সুমনের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে রাজনৈতিক সম্পর্কে। বৈষম্য আন্দোলনের শেরপুর জেলার প্রথম সারির নেতা।

সোহাগের বৈবাহিক জীবন নিয়েও বিভিন্ন অভিযোগ ও আলোচনা রয়েছে।

সোহাগের এর শশুরের নাম আলামিন স্বেচ্ছাসেবক দলের জয়েন সেক্রেটারি ছিল আর যুবদলের সিনিয়র সভাপতি ছিল বিএনপি মূল দলের পদেও রয়েছে। আর ভার্সিটি লেখাপড়ার সময় জেসমিন নামে এক মেয়ের সাথে ওর দেড় বছর সম্পর্ক ছিল পড়ে ধরা খায় বিয়ে করছে পরে আবার ওর কাছ থেকে চলে আসছে পরে অডিও রেকর্ড রয়েছে পরে আবার শেরপুরে বিয়ে করছে বিএনপির নেতা আলামিনের মেয়েকে বিয়ে করছে ওরা সবাই বিএনপি করে ওর শ্বশুর বাড়ির ফ্যামিলি।

তাঁর স্ত্রী বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁদের বিয়ে ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে নানা দাবি প্রচলিত রয়েছে। একই সঙ্গে নারী-সংক্রান্ত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ হলো—বর্তমানে তিনি শেরপুর জেলা যুবলীগে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার জন্য রাজনৈতিক ও আর্থিক প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও তদবির করছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। যদি এমন কোনো তৎপরতা সত্যিই থেকে থাকে, তাহলে রাজনৈতিক পদ প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, যোগ্যতা ও সাংগঠনিক নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা জরুরি।

জনস্বার্থে দাবি তার তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করে।

সোহাগের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, অবৈধ সম্পদ অর্জন, দুর্নীতিতে সেরা।

অতএব, সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, দুর্নীতি দমন সংস্থা এবং রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান অভিযোগ সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

শেরপুর জেলাতে ওই সোহাগ জীবনে কোনদিন রাজনীতি মিছিল মিটিং প্রোগ্রাম করে নাই ইদানিং যুবলীগের নেতা হতে মরিয়া ৫ আগস্টের পরে তিন-চারটা মিছিল করছে এর আগেও এর খোঁজ ছিলো না! শেরপুর শহরে।

রাজনৈতিক পদ যেন অর্থ, ব্যক্তিগত যোগাযোগ কিংবা প্রভাবের ভিত্তিতে নয়; বরং সততা, যোগ্যতা, সাংগঠনিক অবদান ও জনস্বার্থের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়—এটাই প্রত্যাশা।

Leave a Reply

Back to top button