ডক্টর বিলম্বে এসে সিজার করার কারণে নবজাতকের মৃত্যু !
ডক্টর বিলম্বে এসে সিজার করার কারণে নবজাতকের মৃত্যু !

পটুয়াখালী বাউফল প্রতিনিধি( Somoysokal) পটুয়াখালী সদর উপজেলায় মা ও শিশু ক্লিনিকে ডক্টর বিলম্ব করে এসে সিজার করার কারণে নবজাতকের মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালী সদর উপজেলায় কাটপট্টি এলাকার লোহালিয়া খেয়াঘাটে অবস্থিত মা ও শিশু ক্লিনিকে পটুয়াখালী চেম্বার অফ কমার্স ভবনে অবস্থিত উক্ত ক্লিনিকটি।
সদর উপজেলার ৫ নং কমলাপুর ইউনিয়ন নিবাসী মোহাম্মদ আশ্রাফ আলী মৃধা ইউপি সদস্য ৩ নং ওয়ার্ড তাহার পুত্রবধূ মোসাম্মাৎ সালমা বেগম স্বামী মোঃ মোখলেছুর রহমান গ্রাম বাহের মোজ ইউনিয়ন কমলাপুর উক্ত রুগিকে ৫/৮/২০২৬ ইংরেজি বিকেল ৫ ঘটিকার সময় পটুয়াখালী বনানী এলাকায় অবস্থিত মেডি লাইভ ক্লিনিকে ডাক্তার নাজনিন নাহার আয়েশাকে দেখানো ও টেষ্ট করানোর জন্য অপেক্ষা করেন, ডক্টর আয়সা ম্যাডাম তিনি তখন ক্লিনিকে ছিলেন না, রোগী তখন তাহার পেটে ব্যথা অনুভব করতে থাকে রোগীর বাবা আব্দুস সালাম হাওলাদার ডক্টর আসা দেরি দেখে ডক্টর কমলেন্দু রায়কে পরামর্শের জন্য ফোন দিলে তিনি তখন মা ও শিশু ক্লিনিকে নিয়ে যেতে বলেন তিনি বলেন আয়সা ম্যাডামকে আমাদের ক্লিনিকে এনে টেস্ট করাব তখন সন্ধ্যা ৬ ছয়টায় রুগিকে মাও শিশু ক্লিনিকে নিয়ে আসা হয় তখন রিসিপশন থেকে টেস্টের জন্য দিলে উক্ত ক্লিনিকেই টেস্ট করানো হয়, তখন আয়েশা ম্যাডামের কথা জিজ্ঞেস করলে কমলেন্দু ও হাতুড়ে ডক্টর কাউসার বলে ম্যাডাম আসতেছে আপনারা অধৈর্য হইয়েন না,টেস্ট করার পরে সন্ধ্যা সাত ঘটিকার সময় রোগীকে ভর্তি দেওয়া হয় রোগীকে ভর্তি নিয়ে রোগীকে বেডে নিয়ে স্যালাইন পুশ করা হয় স্যালাইনের ভিতরে ব্যাথা বাড়ার জন্য ইনজেকশন দেওয়া হয়, তখন রোগীর ব্যথা বাড়তে থাকে রাত্র ৮ টার সময়ে সিজার করার কথা ছিল কমলেন্দু বলে ডাক্তার আসিতেছে আস্তে আস্তে রোগীর ব্যাথা খুব বেগবান হইতে থাকে রাত ৯ টার সময় রোগী ব্যথায় খুব অসুস্থ হয়ে পরলে তখনও ডক্টর কমলেন্দ্র ডক্টর কাউসার কেহই ক্লিনিকে ছিলেন না শুধু দুইজন নার্স ও দুইজন আয়া বেথিত কেহই ক্লিনিকে ছিলো না ডঃ কামাল কে মুঠোফোনে ফোন দিয়ে ক্লিনিকে আনা হলে তিনি এসে বলেন ডক্টর আয়শা ম্যাডাম আসিতেছে,তখন নার্সেরা রোগীর অসুস্থতা কান্নাকাটি দেখে রোগীর অভিভাবকের কাছ থেকে রোগীকে অটি রুমে সিজারের করার কথা বলে অটি রুমে নিয়ে যায় ডক্টর তখনো আসে নাই ডক্টর আসতে আসতে রাত ১১ টা ১৫ মিনিট বেজেছে আসার পরে ডাক্তার সিজার করেন সিজারের পরে ডক্টর আয়েশা বলেন বাচ্চা মারা গেছে তখন ডক্টর আয়েশা ওটি থেকে বের হলে রোগীর অভিভাবকেরা ডক্টর আয়েশা ম্যাডামকে জিজ্ঞেস করেন আপনি আটটায় আসার কথা আপনি সাড়ে এগারোটায় ১১,১৫ মিনিট এর সময়ে আসলেন কেন তখন নাজনিন নাহার আয়েশা বলে আমাকে তো কেউ ফোন করেনি আমাকে সুধু সুভাষ বণিক আধাঘন্টা আগে অর্থাৎ ৩০ মিনিট আগে ফোন করেছে রোগী এত অসুস্থ তাও তো আমাকে বলে নাই মা ও শিশু ক্লিনিকে কোন ডাক্টর নেই ভাড়াটিয়া ডাক্তার দিয়ে উক্ত ক্লিনিক কি পরিচালিত ডক্টর না আসলে তাদের তো ব্যবসায় লস হয় না নবজাতক বাচ্চা মারা যায় পাবলিকের তাদের তো কিছুই হয় না দুইজন হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে পরিচালিত একটি হয়েছে ডঃ কমলেন্দ্র রায় এল এম এ এফ,আর একজন হয়েছে ডাক্তার কাওসার প্যারামেডিকেল ডাক্তার উক্ত ক্লিনিক এটি কোন অভিজ্ঞ লোক ধারা পরিচিত নয়, নার্স অজ্ঞ এমন কি ক্লিনিকটির আয়া পর্যন্ত অজ্ঞ লোক দ্বারা পরিচালিত অভিযোগ কারীদের কথিত মতে ডাক্তার বিহীন এই ক্লিনিক ও মানুষ মারার মেশিনটি এভাবে চলতে পারে না তাদের দাবি পটুয়াখালী সিভিল সার্জন বিষয়টি যেন খতিয়ে দেখে উক্ত ক্লিনিক হাতুড়ি ডক্টর ও পরিচালকদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক এরকম অনেক রোগীদেরই অভিযোগ আছে যাহা ভিডিও ফেসবুকের মাধ্যমে দেখা যায় ভিডিও টি পাবলিস্ট হওয়ায় ৭,৮,২০২৬ তারিখ সকাল বেলা সুভাষ বর্ণিক ক্লিনিকের পার্টনার তিনি ক্লিনিকে এসে রোগীর স্বামী মোখলেছুর রহমান এর সাথে বলেন আমি কিন্তু কুট্রি দাদা শ্যালক ভিডিও পাবলিস্ট করেছেন আমি কিন্তু এর একশন নিতে পারি এভাবে ভয়-ভীতি দেখায় অপরাধ দামাচাপা দিয়ে রাখা জাবেনা আপনাদের আইনের আওতায় যেতেই হবে।

