বিবিধ

ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে মাদক ব্যবসা নিয়ে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ ট্রাক স্ট্যান্ডের সংবাদ সম্মেলন

ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে মাদক ব্যবসা নিয়ে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ ট্রাক স্ট্যান্ডের সংবাদ সম্মেলন

 

নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে মাদক ব্যবসার আধিপত্য নিয়ে দুই গ্রুপে সংঘর্ষে জেলা ট্রাক ট্যাংলরি ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের নাম জড়িয়ে মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করায় সংবাদ সম্মেলন করেন জেলা ট্রাক ট্যাংলরি ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দরা।

শনিবার ২০ জুন সন্ধ্যায় জেলা ট্রাক ট্যাংলরি ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলন জেলা ট্রাক ট্যাংলরি ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক শিকদার বাপ্পী চিশতী বলেন, আমি আজ দাওয়াতে গিয়ে ছিলাম তখন কল আসে আমাদের স্টান্ড এর ছেলেদের মধ্য মারামারি হচ্ছে আমি সেখান থেকে দ্রুত চলে এসে দেখি আমাদের ট্রাক ট্যাংলরি ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দরা।

ঘটনার সময় যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের সাথে কথা বলে জানতে পারি মাদক ব্যবসা নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এখানে দেখতে পেলাম রাশেদ নামের এক লোক সে পরিচয় দিচ্ছে ট্রাক শ্রমিক হিসেবে কিন্তু আমরা কখনোই এই ছেলেকে দেখিনি। শুভ, রাজিব এরা ট্রাক শ্রমিক হতে পারে অনেকদিন দেখেছি তাদের সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে এসেছিল আমরা সমাধানও করে দিয়েছি কিন্তু রাশেদকে কখনো দেখিনি। রাশেদ যে বক্তব্য দিয়েছে আমাদের সংগঠনের শ্রমিকদের প্রাণ সাব্বির আহমেদ শহীদকে নিয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা। কারণ যে কেউ যার সাথে মনে চায় ছবি তুলতে পারে। কিন্তু সে তার লোক হয়ে যাবে তা কিন্তু নয়।আমরা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী করেছিলাম সেখানে আমাদের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ শহীদ ঘোষণা দিয়েছিল ট্রাক ট্যাংলরি কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের আশেপাশে কোন মাদক ব্যবসায়ী মাদক বিক্রি করতে পারবে না। আমরা এখান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষণা করেছিলাম। সে ক্ষোভ থেকেই এই কর্মকান্ড করা হয়েছে বলে আমি মনে করি। আমরা আগেও বলেছি এখনো বলছি মাদকাসক্ত যেই হোক আমাদের এই স্ট্যান্ডে লোক হলেও তার ব্যক্তিগত দায় শুধু তারই। কারণ মাদককে আমরা প্রশ্রয় দেবো না। কারো ব্যক্তিগত দায় এই স্ট্যান্ডের কেউ নিবে না। আজকে আবারো বলছি আমরা আরো জোরালো হচ্ছি আমাদের বিরুদ্ধে যত কিছুই হোক আমরা এই মাদকের জিরো ট্রলারেন্স থেকে পিছু হাটবো না। এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আমাদের স্ট্যান্ডের সহ-সভাপতি মালেক ভাই সেখানে উপস্থিত ছিলেন তাকেও হুমকি দেয়া হয়েছে। আমি পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি এ মারামারি ও কোপাকুপি হাসপাতালের সামনে হয়েছে আপনারা সিসিটিভির ফুটেজ তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক। যারা প্রকৃত দোষী তাদের আইনের আওতায় আনতে আপনাদের সাথে আমরা সহযোগিতা করব।

এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী জেলা ট্রাক ট্যাংলরি ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নে সহ-সভাপতি মালেক বলেন, আমি ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন দুই গ্রুপে মারামারি হচ্ছিল আমি সেখানে তাদেরকে থামাতে চাইলে তারা আমাকে হুমকি ধামকে দেন। রাজীব আমাকে বলে লুঙ্গি নামিয়ে কথা বল ট্রাক স্ট্যান্ডের হয়ে অনেক কথা বলছস। আমি চাই প্রকৃত অপরাধীকে ধরে আইনের আওতায় দেয়া হোক। এই স্ট্যান্ডে যেই হোক ট্রাক ড্রাইভার, ট্রাক হেলপার বা স্ট্যান্ডের সদস্য কেউ যদি মাদকের সাথে জড়িত থাকে তাদেরকে ছাড় দেওয়া হবে না। যদি কেউ মাদকের সাথে জড়িত থাকে এটা শুধু তার ব্যক্তিগত বিষয় এর দায়ভার জেলা ট্রাক ট্যাংলরি কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন দায় নেবে না।

এই সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি মালেক সরদার, সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান মন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাস্তান প্রধান,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আওলাদ খন্দকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সিকদার বাপ্পি চিস্তি, সহসাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন টিপু, দপ্তর সম্পাদক রহমত উল্লাহ রাজিব,সহ দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ রফিক, প্রচার সম্পাদক পায়েল হোসেন আকাশ সহ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ইব্রাহিম সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মুক্তার খন্দকার নির্বাহী সদস্য হান্নন,আকরাম হোসেন সহ কেবিনেটের সদস্যবৃন্দ।

Leave a Reply

Back to top button