অপরাধ

সিদ্ধিরগঞ্জে ইয়াবা, হেরোইন ও গাঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

সিদ্ধিরগঞ্জে ইয়াবা, হেরোইন ও গাঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ইয়াবা, ২৫০ পুরিয়া হেরোইন এবং ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ চারজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

 

শনিবার (২০ জুন, ২০২৬) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

​গ্রেফতারকৃতরা হলেন— রুবেল মিয়া (৩২), কাউসার হোসেন (৩০), আক্তার ওরফে কানা আক্তার (৪৫) এবং মোঃ অজিদ মিয়া (৩৮)।

​পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর দিক-নির্দেশনায় এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হকের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে মাদকের বিরুদ্ধে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

​দফায় দফায় অভিযান ও গ্রেফতার: প্রথম অভিযান: সকাল ৭:৪৫ মিনিটে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ৭নং ওয়ার্ডের কদমতলী এম ডব্লিউ স্কুল এন্ড কলেজের সামনের পাকা রাস্তায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ রুবেল মিয়া ও কাউসার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। দুজনের বাড়িই সিদ্ধিরগঞ্জের এনায়েতনগর এলাকায়।

​দ্বিতীয় অভিযান: একই স্থানে সকাল ৯:২০ মিনিটে অভিযান চালিয়ে আক্তার ওরফে কানা আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়।

​তৃতীয় অভিযান: দুপুর ৩:৪৫ মিনিটে সিদ্ধিরগঞ্জের ১০নং ওয়ার্ডের চৌধুরীবাড়ী মাঝিপাড়া এলাকার কুট্টির অফিসের সামনে পাকা রাস্তায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে ২৫০ পুরিয়া হেরোইন ও ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মোঃ অজিদ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। অজিদ সুনামগঞ্জের সাল্লা থানার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে মাঝিপাড়ায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন।

​পুরোনো মামলার রেকর্ড:।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ১নং আসামি রুবেল মিয়ার বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ৩টি এবং ৩নং আসামি আক্তার ওরফে কানা আক্তারের বিরুদ্ধে ১৪টি মাদক মামলা রয়েছে। তারা দুজনেই এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি।

​পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ, ​সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক ৩টি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

​সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি এবং যেকোনো অপরাধ দমনে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের এই ধরনের সাঁড়াশি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

Leave a Reply

Back to top button