না বলার ২ ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাইব্যুনালে হাজির কামরুল ইসলাম
না বলার ২ ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাইব্যুনালে হাজির কামরুল ইসলাম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে প্রথমে অস্বীকৃতি জানান সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম। অসুস্থতার কারণে তিনি পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে জানা যায়। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি যেতে রাজি হননি।
পরে বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার ও চিফ প্রসিকিউটরের নজরে আনা হয়। এ সময় প্রসিকিউশন কারা কর্তৃপক্ষকে “যেকোনো মূল্যে” কামরুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার মৌখিক নির্দেশ দেয়। এর প্রায় ২ ঘণ্টা পর হাসপাতাল থেকে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
একই মামলায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশ এলাকায় ২৩ জনকে হত্যাসহ মোট ৩টি অভিযোগ আনা হয়েছে এই মামলায়। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে মামলার কার্যক্রম চলছে।
প্রসিকিউশনের দাবি, শেখ হাসিনার সরকার টিকিয়ে রাখতে কামরুল ইসলাম ও মেনন বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এবং আন্দোলন দমনে মারণাস্ত্র ব্যবহার ও কারফিউ জারির প্ররোচনা দেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

