
উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় গাইবান্ধা জেলায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বছর জেলা থেকে মোট ১৫ হাজার ৫৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ হাজার ২৯ জন। জেলাজুড়ে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন মাত্র ১৭৩ জন শিক্ষার্থী। শনিবার (৩১ অক্টোবর) এইচএসসির প্রকাশিত ফলাফল থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
জেলার সামগ্রিক ফলাফলে সবচেয়ে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, যেখানে কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো- পলাশবাড়ীর ‘ফকিরহাট মহিলা কলেজ’ এবং সাঘাটার ‘জুমারবাড়ী মহিলা কলেজ’।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফকিরহাট মহিলা কলেজ থেকে এবার ২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে দুজনই অকৃতকার্য হয়েছেন। অন্যদিকে জুমারবাড়ী মহিলা কলেজ থেকে মাত্র ১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও তিনি অকৃতকার্য হন। ফলে জেলার এই দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শতভাগ ফেল বা শূন্য পাসের তালিকায় যুক্ত হয়েছে।
এইচএসসিতে পাসের হারের এই বড় বিপর্যয় ও জেলার দুটি প্রতিষ্ঠানের শূন্য পাসের চিত্র স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের হতাশ করেছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান ও সামগ্রিক শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।

