ফতুল্লায় বিএনপির দুই নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ
ফতুল্লায় বিএনপির দুই নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বিএনপির দুই শীর্ষ নেতা আনিছুর রহমান ও রুহুল আমিন শিকদারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। একটি গাড়ির অবস্থানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র উত্তেজনা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লায় রাস্তার মাঝখানে একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি দেখতে পেয়ে বিএনপির দুই নেতা আনিছুর রহমান ও রুহুল আমিন শিকদার ঘটনাস্থলে গিয়ে যানজট নিরসনের চেষ্টা করেন এবং চালকের কাছে যানজট লাগার কারণ জানতে চান।
অভিযোগ রয়েছে, এ সময় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই আলতাফ নামে এক ব্যক্তি আনিছুর রহমানকে চড় মারেন। এর প্রতিবাদ করলে রুহুল আমিন শিকদারের ওপরও চড়াও হন হামলাকারীরা। পরবর্তীতে মোহন, আলতাফসহ তাদের সহযোগীরা মিলে দুই নেতাকে বেধড়ক মারধর করেন।
খবর পেয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দুই নেতাকে হামলাকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অভিযুক্ত মোহন ও আলতাফ তাদের সহযোগীদের নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী নেতা আনিছুর রহমান বলেন, “হয়তো পূর্ব থেকেই কোনো না কোনো বিষয়ে তাদের ক্ষোভ ছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।”
এদিকে হামলার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যান বিএনপি নেতা রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী। তিনি জানান, সেখানে পৌঁছে শত শত নেতাকর্মীকে উত্তেজিত ও মারমুখী অবস্থায় হামলাকারীদের খুঁজতে দেখেন। পরিস্থিতি যাতে আরও অবনতি না হয়, সেজন্য তিনি বুঝিয়ে উত্তেজিত নেতাকর্মীদের শান্ত করে সেখান থেকে সরিয়ে দেন। বিএনপির দুই নেতার ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

