
নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানার আওতাধীন কুতুবপুর ইউনিয়নের নন্দলালপুর এলাকায় আওয়ামী লীগের দোসর সুমেনর অপকর্মে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। সুমনের অপকর্মের বাঁধা দেওয়াই সমাজের মুরুব্বিদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
সুমনের অপকর্মের বিষয়ে সময় সকাল’কে কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও নন্দলাপুর উত্তর মহল্লা পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান জানান, মহল্লায় অনেক মাদক সেবনকারী এবং মাদক বিক্রেতা থাকে যাদের বিচার-আচার আমাদেরকেই করতে হয় তাদের মধ্যে একজন চোরা সুমন নিজে মাদক সেবন করে এবং মাদক বিক্রি করে সে দুষ্ট প্রকৃতির মানুষ দেখে আমরা সমাজের সবাই মিলে এই এলাকা থেকে উচ্ছেদ করেছি সে এখন কোথায় থাকে আমরা জানিনা এলাকা থেকে উচ্ছেদ করার কারণে বর্তমানে আমাদের নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেক অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাই আমি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সুমনকে অতি শীঘ্রই আইনের আওতায় আনা হোক।
একই বিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, নন্দলাপুরের সুমন নামের ব্যক্তিটি একজন দুষ্ট প্রকৃতির লোক বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় অপকর্মের করে বেড়ায়, বিভিন্ন জায়গায় চুরি করে বেড়ায়। এ কারণে সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময় তার বিচার সালিশ করে দেয়। সেই ক্ষোভ থেকে চোরা সুমন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেসকল সম্মানিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়।আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যেন অতি দ্রুতই চোর সুমনকে আইনের আওতায় আনা হয়।
এছাড়াও সুমনের অপকর্মের বিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি’র ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ শাহিন হোসেন জানান, সুমন একজন মাদক সেবনকারী এবং সে মাদকের ডিলার, বেশ কিছুদিন আগে রুমা ডাইং এ চুরি করতে গিয়ে ধরা খায় এলাকার মুরুব্বিরা বিচার সালিশ করে দেয়, ওই সময় তাকে আইনের আওতায় আনা হয়, সেই ক্ষোভ থেকে এলাকার সম্মানিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে তার এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

