সারাদেশ

কুতুবপুরের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান সেন্টু’কে নিয়ে সাহসী স্টাটাস দিলেন বিএনপি নেতা রুহুল আমিন 

কুতুবপুরের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান সেন্টু'কে নিয়ে সাহসী স্টাটাস দিলেন বিএনপি নেতা রুহুল আমিন 

স্টাফ রিপোর্টার (Somoysokal) কুতুবপুর ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মনিরুল আলম সেন্টু’কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাহসী স্টাটাস দিয়েছেন, ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন সিকদার।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন সিকদার তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এ স্টাটাস দেন।

পাঠকদের জন্য স্টাটাস টা হুবহু তুলে ধরা হলো, ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়া জেলার একরামুজ্জামান কে ফিরিয়ে নিতে পারলে ফতুল্লার অন্যতম জনপ্রিয় নেতা মনিরুল আলম সেন্টু কে ফিরিয়ে নিতে বাধা কোথায়, মনিরুল আলম সেন্টু তৃনমুল থেকে ওঠে আসা একজন সফল নেতা। মনিরুল আলম সেন্টু ৯১ সনে দালালী মাধ্যমে ফতুল্লা থানা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হয়নি ৭ ইউনিয়নের ১৪ ভোট পেয়ে নিবার্চিত হয়েছে। ৯৭ সনে আবারও ভোটের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক নিবার্চিত হয়েছে। সভাপতি নিবার্চিত হয়েছে।২০০২/৩ সনে ভোটের মাধ্যমে ফতুল্লা থানা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক নিবার্চিত হয়েছেন, ২০০৮/৯ সনে যখন দেখল ভোটে সেন্টু সভাপতি হয়ে যাবে তখন ভোট বন্ধ করে ভোট ছাড়া মনিরুল আলম সেন্টু কে সিনিয়র সহ সভাপতি মনোনীত করা হয়। তিনি দল ছেড়ে চলে যাইনি দল তাকে অল্প কিছু টাকার বিনিময় বহিষ্কার করেছে। যে কারনে বহিষ্কার করা হয়েছে সেই কারনে সারা দেশে বহিষ্কার করার কথা ছিল নিচে ৫০০ উপরে ৬৫০ জনকে কিন্তু বহিষ্কার হয়েছে ৫/ ৭ জন। একযুগ তিনি বিএনপির আর্দশ ধরে পরে ছিলেন। শেষ ইউপি নিবার্চনে আওয়ামীলীগে যোগ না নিয়ে নৌকায় উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে, এটা নিয়ে জ্বর উঠে ছিল। লেখার মধ্যে ভুল তর্থ্য থাকলে ভুল ধরিয়ে দিবেন, অযথা কমেন্ট করবেনা। ফ্যাক্টঃ আমার আগে গ্রেফতার,(৯৭)বেশি গ্রেফতার (১৪) মামলা ১৫০ বেশি হামলা (৯৬) যদি থাকেন কমেন্ট করবেন। ভাইকে খুশি করতে কমেন্ট করবেনা।।

Back to top button